ঢাকা, শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৯, ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

হারের দায় নিজের ঘাড়ে নিয়ে ক্ষমা চাইলেন শাদাব

প্রকাশনার সময়: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:২৬

পাকিস্তানকে ২৩ রানে পরাজিত করে ষষ্ঠবারের মতো এশিয়া কাপের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরে নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। তাদের চেয়ে বেশি এশিয়া কাপ জিতেছে কেবল ভারত (৭ বার)।

দুবাইয়ে রোববারের (১১ সেপ্টেম্বর) ফাইনালে পাকিস্তান যে ২৩ রানে হেরেছে, সেখানে অলরাউন্ডার শাদাব খান যে লঙ্কান ব্যাটারের ক্যাচ ছেড়েছেন সেই ভানুকা রাজাপাকসাই হয়েছেন ম্যাচ সেরা। তাই তো নিজের ভুল বুঝতে পেরে ক্যাচ মিস করায় ক্ষমা চাইলেন শাদাব।

ক্যাচ ফেলা দেয়া কিংবা ধরতে পারা, যে কোনো ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে সেটির আরেকবার প্রমাণ মিলল গতকাল দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।

১০ ওভার শেষে মাত্র ৬৭ রান তুলতেই তারা হারায় ৫ উইকেট। তাতে মনে হয়েছিল আবারো হারের মুখ দেখবে শ্রীলঙ্কা। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাকি ৬০ বল থেকে মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে লঙ্কানরা আরো ১০৩ রান সংগ্রহ করে স্কোরকার্ডে। তাতে ১৭০ রানের বড় পুঁজি পায় চ্যাম্পিয়নরা।

এত বড় পুঁড়ি গড়ার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান আগের পাঁচ ম্যাচে ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে না পারা রাজাপাকসার। হার না মানা ৪৫ বলে ৬ টি চার আর ৩ ছক্কায় ৭১ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেন এই লঙ্কান ব্যাটার।

আর রাজাপাকসার এই ইনিংসের পেছনে অবদান ছিল শাদাবেরও। কারণ ফাইনালে রাজাপাকসারই গুরুত্বপূর্ণ দুটি ক্যাচ মিস করে বসেন পাকিস্তানি অলরাউন্ডার।

ইনিংসের তখন ১৮তম ওভার। রাজাপাকসা তখন ব্যক্তিগত ৪৭ রানে ক্রিজে। তখন একবার ক্যাচ ফেলে দেন শাদাব। তখনও ক্যাচ ধরতে পারলে আর কম রানের লক্ষ্য থাকতো পাকিস্তানের সামনে। লংঅফে সহজ এই ক্যাচ মিসের পর আবার শেষদিকে বাউন্ডারির কাছে রাজাপাকসার ক্যাচ প্রায় তালুবন্দি করেছিলেন আসিফ আলি। কিন্তু সেখানে যেন দূর থেকে উড়ে আসেন আর ধাক্কা দিয়ে সেটা ছক্কা বানান শাদাব।

এমন ভুলের কারণে ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বড় সংগ্রহ পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের ওপর চাপ তৈরি করে। যার খেসারত দিতে হয়েছে শিরোপা হাতছাড়া করে।

সে কারণেই ম্যাচ হারের পর শাদাব পুরো দায় যেন নিজের কাঁধে নিলেন। তার মতে, তার জন্যই ম্যাচ হেরেছে দল।

টুইট বার্তায় সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে শাদাব লিখেছেন, ‘ক্যাচ ম্যাচ জেতায়। ক্ষমা চাইছি, আমি এই হারের দায় মাথা পেতে নিলাম। আমি আমার দলকে বিপদে ফেলেছি। তারপরও নাসিম শাহ, হারিস রউফ, মোহাম্মদ নওয়াজসহ পুরো দলের বোলিং আক্রমণ দারুণ ছিল। দলের জন্য এটা ইতিবাচক। মোহাম্মদ রিজওয়ানও লড়াই করেছেন। পুরো দল তাদের সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করেছে। শ্রীলঙ্কাকে অভিনন্দন।’

নয়া শতাব্দী ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আমার এলাকার সংবাদ