ঢাকা, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯, ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

বাংলাদেশের অভ্যুদয় এবং কিছু প্রাসঙ্গিক কথা

প্রকাশনার সময়: ২৯ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:২৬

মুক্তিযুদ্ধের একটি নিষ্পত্তিমূলক পরিণতি অর্থাৎ চূড়ান্ত বিজয়ের পথে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্র ১৯৭১-এর ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। অন্তরালে রাজনৈতিক কারণ কিছুটা ভূমিকা রাখলেও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর ব্যক্তিগত সহানুভূতি ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ছিল নির্যাতিত ও নিপীড়িত বাঙালির প্রতি। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে তিনি মূল্য দিয়েছিলেন। ফলে প্রায় এক কোটি শরণার্থীর ভার তিনি অবলীলায় গ্রহণ করেছিলেন।

তিনি পাশে পেয়েছিলেন সমমনা রাজনৈতিক সহকর্মী ও সামাজিক সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অনেককে। কিছু বিরুদ্ধ চিন্তার রাজনৈতিক ঘরানার মানুষের প্রতিরোধের মুখোমুখি হলেও নিজ রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও চারিত্রিক দৃঢ়তা নিয়েই ইন্দিরা গান্ধী তার লক্ষ্যে এগিয়েছিলেন। ভারত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে ও অস্ত্র সহায়তা করে গেরিলা যোদ্ধাদের এগিয়ে দিয়েছিল।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মুক্তিযোদ্ধারা অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে নভেম্বরের মধ্যে কোণঠাসা করে ফেলেছিল পকিস্তানি বাহিনীকে। কিন্তু এ সত্যটিও মানতে হবে পাকিস্তানি বাহিনীর মতো একটি প্রশিক্ষিত বাহিনীকে চূড়ান্তভাবে পরাজিত করতে হলে সম্মুখযুদ্ধের বিকল্প ছিল না। ট্যাংক-কামান, মর্টারসহ ভারী অস্ত্র ও বিমান বাহিনীর সমর্থন ছাড়া এই যুদ্ধের নিষ্পত্তি এতটা অল্প সময়ে সম্ভব ছিল না। এই সত্য মেনে একাত্তরের শেষ দিকে এসে মুক্তিপ্রত্যাশী বাঙালির চাওয়া ছিল ভারতীয় বাহিনী সরাসরি আমাদের পাশে থেকে সাহায্য করুক।

বিষয়টি নিয়ে সে সময়ের স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার গভীরভাবে ভেবেছে। যুদ্ধে ভারত সরাসরি অংশ নিলে এর পরবর্তী প্রতিক্রিয়া কী হতে পারে এসব নিয়েও ভাবতে হয়েছে। এমন একটি বাস্তবতায় ২৬ অক্টোবর থেকে ২৬ দিন ইন্দিরা গান্ধী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিম ইউরোপ সফর করেন। এ সময়ে তিনি বিশ্ববাসীকে বোঝাতে চেষ্টা করেছিলেন যে, বাস্তব কারণেই পূর্ব পাকিস্তানে ভারতের সামরিক হস্তক্ষেপের প্রয়োজন রয়েছে।

বিশ্ব নেতৃবৃন্দ অনেকেই এতদিন আশা করেছিলেন পাকিস্তান একটি রাজনৈতিক সমাধানের দিকে যাবে। কিন্তু ক্রমে সে আশা ফিকে হয়ে যাচ্ছিল। অবস্থা যে পর্যায়ে চলে গিয়েছে তাতে শেখ মুজিবকে মুক্তি দিয়ে তার সঙ্গে কোনো আপস করতে হলে সেনা-শাসকদের ক্ষমতা ত্যাগ করে আসতে হবে। কিন্তু সে পথে হাঁটবে না ইয়াহিয়া খানের প্রশাসন। কিন্তু ভারতের মতো একটি বিদেশি রাষ্ট্রের সৈন্যরা সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীন করায় ভূমিকা রাখলে এর পরবর্তী প্রতিক্রিয়া কী হতে পারে সে আশঙ্কাও করছিলেন অনেকে। কিন্তু এই আশঙ্কা থেকে সবাইকে মুক্ত করেছিলেন দু’পক্ষের নেতৃবৃন্দ।

বঙ্গবন্ধুর পক্ষে প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এবং ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী স্বাক্ষরিত একটি দলিল তৈরি করা হয়েছিল। তাতে ছিল বেশ কয়েকটি শর্ত। একটি শর্তে ছিল ১৯৭১-এর ২৫ মার্চের পর যারা ভারতে প্রবেশ করেছে স্বাধীন দেশে শুধু তারাই ফেরত আসবে। অন্য আরেক শর্তে ছিল বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি ছাড়া কোনো ভারতীয় সৈন্য বাংলাদেশে ঢুকতে পারবে না এবং বাংলাদেশ সরকার যত দিন চাইবে শুধু তত দিনই ভারতীয় সৈন্য বাংলাদেশে থাকতে পারবে। বিপুলসংখ্যক শরণার্থীর চাপ ভারতের মোকাবিলা করা কঠিন হয়ে পড়ছিল। ফলে ভারতও চাইছিল বাংলাদেশ সংকটের দ্রুত নিষ্পত্তি হোক। যা হয়তো ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের একটি প্রেক্ষাপট তৈরি করেছিল।

এ প্রসঙ্গে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপর ৫ ডিসেম্বর অ্যান্থনি মাসকারেনহাসের লেখা লন্ডন সানডে টাইমসে প্রকাশিত একটি নিবন্ধ থেকে যৌক্তিক বিশ্লেষণ পাওয়া যায়। রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কারণে দেশে ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অথচ বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলো নীরবতার ভূমিকা পালন করছে।

মাসকারেনহাস লিখেছেন— ‘সত্যি কথা হলো, ভারত অনিচ্ছাকৃতভাবে যুদ্ধে লিপ্ত হতে বাধ্য হচ্ছে, কারণ উদ্বাস্তু সমস্যা সমাধানের আর কোনো বিকল্প নেই। আট মাস ধরে বিশ্বের কাছে সাহায্য চেয়ে ব্যর্থ হতে হয়েছে। যে ১১ মিলিয়ন পূর্ব পাকিস্তানি শরণার্থী সীমান্ত অতিক্রম করে আশ্রয় নিয়েছে তাদের ভরণপোষণ ও খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ করার জন্য ভারত আর্থিক সাহায্য চেয়েছে। এছাড়া শরণার্থীরা যাতে পূর্ব পাকিস্তানে নিরাপদ আশ্রয়ে তাড়াতাড়ি ফিরে যেতে পারে সে লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সংস্থার ব্যবস্থা গ্রহণের আশা ভারতের ছিল। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী গুরুত্ব দিয়ে বলেছিলেন যে, ‘কোনো অবস্থাতেই শরণার্থীদের ভারতে স্থায়ীভাবে থাকতে দেয়া হবে না।’

ইন্দিরা গান্ধীর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ সফর আশানুরূপ ফল দেয়নি। আগামী মার্চ পর্যন্ত অর্থাৎ ১২ মাসে উদ্বাস্তুদের ভরণপোষণে খরচ হবে ৩৯০ মিলিয়ন পাউন্ড। এখন পর্যন্ত যে পরিমাণ সাহায্যের আশ্বাস পাওয়া গিয়েছে তা মাত্র ১০৩ মিলিয়ন পাউন্ড। এর মধ্যে ভারত হাতে পেয়েছে মাত্র ৩০ মিলিয়ন পাউন্ড।

পাকিস্তানের প্রতি রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের ভারতীয় অনুরোধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া ছিল হতাশাব্যঞ্জক। নিউইয়র্ক টাইমসের মতে, ভারত আপসের দিকে না গিয়ে বরং যুদ্ধের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে। একজন ভারতীয় মুখপাত্রের মতে, ‘আমরা সাহায্য প্রার্থনা করে যা পেয়েছি তা শুধু ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা ধরনের উপদেশ।’

পূর্ব পাকিস্তান সমস্যা ভারতের অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে। জিনিসপত্রের মূল্য অনবরত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বৃদ্ধি পাচ্ছে বেকারের সংখ্যা। ছয় মাস আগে দিল্লিতে রাস্তার পাশে মাদ্রাজি দুটি দোসা ও দুটি ইডলি এবং দুই কাপ চা-কফি তিন টাকায় (২৫ পেনি) পাওয়া যেত, এখন তা সাড়ে আট টাকা। ...উদ্বাস্তুদের সাহাযার্থে যে ট্যাক্স বসানো হয়েছে তা এখন সবাইকে আক্রান্ত করছে। কারণ প্রতিটি ভারতীয়কে একটি চিঠি লেখার জন্য ৫ পয়সা করে উদ্বাস্তু কর দিতে হয়। ১৯৬৫ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের যুদ্ধে যত টাকা খরচ হয়েছিল বর্তমানে শরণার্থীদের জন্য ভারতের তার চেয়ে বেশি খরচ করতে হচ্ছে।

সুতরাং উদ্বাস্তুদের আর্থিক সাহায্য করার বদলে যুদ্ধ করাই শ্রেয়। কয়েকজন ব্যক্তি যেমন সম্পাদক, ব্যবসায়ী, সরকারি কর্মকর্তাসহ দিল্লিতে যার সঙ্গেই আলাপ করি, তারা সবাই এক বাক্যেই বলেন, ২৪ বছর ধরে ভারত-পাকিস্তানের বোঝা টানছে। এখন চিরতরে সব সমস্যা সমাধানের সময় এসেছে। পাকিস্তানের সঙ্গে সব ধরনের সমস্যা এবং ভারতের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্র্রদায়ের সাহায্য প্রদানে ব্যর্থতা ও জাতিসংঘের অকার্যকারিতা ভারতকে যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।’

এর মধ্যে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ার ব্যাপারে ভারতের অভ্যন্তরে সরকারের ওপর চাপ ছিল। মার্চ থেকে নভেম্বর পর্যন্ত বেসরকারি নানা সংগঠন থেকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ার প্রশ্নটি উঠে আসে। বিশেষ করে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন, ট্রেড ইউনিয়ন, বুদ্ধিজীবীদের নানা সংগঠন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে গড়ে ওঠা বিভিন্ন শিক্ষক সমিতি এবং রাজ্য বিধানসভাগুলোও স্বীকৃতির পক্ষে দাবি উত্থাপন করে। বাংলাদেশকে অর্থাৎ মুক্তিবাহিনীকে সরাসরি সাহায্যের জন্য এই স্বীকৃতিরও প্রয়োজন ছিল। তাছাড়া পাকিস্তানের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধাবস্থা তৈরি না হলে বাংলাদেশে ভারতীয় সৈন্য প্রবেশ করা বৈধতা পাবে না।

ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে এসব প্রশ্ন সামনে চলে আসে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ ঘোষণার প্রথম প্রত্যক্ষ কারণ ঘটিয়ে দিল পাকিস্তান। ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ এর আগেও দুবার সংঘটিত হয়েছিল। তবে এই তৃতীয় যুদ্ধের প্রেক্ষাপটটিই ছিল আলাদা। পাকিস্তান বাঙালির স্ব্বায়ত্তশাসনের দাবির প্রতি সম্মান দেখায়নি। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর ক্ষমতা হস্তান্তর না করে গণহত্যা চালিয়ে পাকিস্তানি শাসক বাঙালির ওপর মুক্তিযুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছিল। মে’র মধ্যেই পাকিস্তানি বাহিনী তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে তাদের কর্তৃত্ব হারিয়ে ফেলতে থাকে। এর মধ্যে আগস্টে ভারত-সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে ২০ বছরব্যাপী শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তি অনুসারে প্রত্যেক দেশ অপর দেশের জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে পারস্পরিক সহযোগিতা করার অঙ্গীকার করে।

পূর্ব পাকিস্তানের (বাংলাদেশের) সীমান্ত রেখায় ভারতীয় ভূখণ্ডে ভারত স্বাভাবিক কারণেই সৈন্য ও সমরাস্ত্র সমাবেশ করেছিল। সম্ভবত ভারতের দৃষ্টি অন্যত্র সরানোর উদ্দেশে ৩ ডিসেম্বর ১৯৭১ ভারতের পশ্চিমাঞ্চলে পাকিস্তান আচমকা বিমান হামলা করে। বিকেল সাড়ে পাঁচটায় পাকিস্তান বিমান হামলা করে। পাকিস্তানের মিরেজ-৩ বিমানগুলো পাঠানকোট বিমান ঘাঁটিতে। এতে রানওয়ের কিছুটা ক্ষতি সাধিত হয়। এরপর বিমান হামলায় পাঞ্জাবের অমৃতসরের রানওয়েরও ক্ষতিসাধিত হয় তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তা মেরামত করা সম্ভব হয়। এ সময়ই ভারত সিদ্ধান্ত নেয় ওই রাতেই তারা পাকিস্তানে বিমান আক্রমণ করবে। সামান্য বিরতির পরে পাকিস্তানের দুটি বি-৫৭ বিমান বোমা ফেলে হরিয়ানার আম্বালাতে। এই হামলায় সামান্যই ক্ষতি হয়েছিল। তবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় রাজস্থানের উত্তারলাই এবং পাঞ্জাবের হালওয়ারা বিমান ঘাঁটিতে পাকিস্তানি বোমাবর্ষণে। এছাড়াও পাকিস্তানি বোমারু বিমান হামলা করে কাশ্মীরের উধামপুরে, জয়সালমির ও জোধপুরে। এভাবে প্রায় ১২টি বিমান ঘাঁটিতে পাকিস্তানি বিমান হামলা পরিচালিত হয়। নিক্ষিপ্ত বোমার সংখ্যা ছিল ১৮৩টি। ওই রাতেই ইন্দিরা গান্ধী ভারতীয় রেডিওতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। সেখানে যৌক্তিক কারণ দেখিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। পরদিন ভারতীয় বিমান বাহিনী আক্রমণ চালিয়ে নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে।

আগে থেকেই যুদ্ধকৌশল নির্ধারিত ছিল ভারতের। ভারতীয় বিমান বাহিনী পশ্চিম পাকিস্তানের নানা বিমান ঘাঁটি ছাড়াও একযোগে বিমান হামলা চালিয়ে বোমাবর্ষণে ঢাকার কুর্মিটোলা বিমানবন্দর অকেজো করে দেয়। লেফটেন্যান্ট জেনারেল সগত সিংয়ের ওপর পূর্ব পাকিস্তানে আক্রমণের প্রধান দায়িত্ব ছিল। তিনি ৮, ২৩ এবং ৫৭ ডিভিশন নিয়ে আক্রমণ পরিকল্পনা করেন।

ভারতের পশ্চিম সীমান্তেও যুদ্ধ পরিচালিত হতে থাকে। ঢাকায় ভারতীয় বিমান হামলায় রানওয়ে পুরোপুরি অকেজো হয়ে যায়। ফলে এখানেই পাকিস্তানি বাহিনীর পতনের সুর স্পষ্ট হয়ে বাজতে থাকে। ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণ তীব্র হতে থাকে। ভারতের নানা সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় মিত্র বাহিনী প্রবেশ করতে থাকে। মুক্তি ও মিত্র বাহিনীর তীব্র আক্রমণে কোণঠাসা হয়ে পড়ে পাকিস্তানি বাহিনী। বিজয়ের ক্ষণগণনা করতে থাকে সাধারণ মানুষ।

লেখক: অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

নয়া শতাব্দী/এসএম

নয়া শতাব্দী ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আমার এলাকার সংবাদ