ঢাকা, বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০২৩, ১৯ আশ্বিন ১৪৩০, ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৫

পরিবার নিয়ে ঘুরে আসুন মধুমতি বাওড়ে

প্রকাশনার সময়: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১২:২৬

হাওড়-বাওড় আর নদীর দেশ বাংলাদেশ। দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে আছে হাজারও হাওড়-বাওড়। বাংলাদেশে বাওড়ের সংখ্যাও কিন্তু কম নয়। নৌকায় নির্মল হাওয়া ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অবলোকন আপনাকে নৈস্বর্গিক আনন্দ দেবে। বাওড়ের সৌন্দর্য পেতে যেতে পারেন গোপালগঞ্জের মধুমতি বাওড়ে। দেশীয় মাছের অভয়ারণ্যের মাঝে ডিঙি নৌকায় ঘুরতে মন্দ লাগবে না আপনার।

বাওড়ের জন্ম যেভাবে

গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলা থেকে ১০ কিলোমিটার পূর্বে মধুমতি বাওড় অবস্থিত। কাশিয়ানি উপজেলার ফুকরা, ধানকোড়া, রাতইল, চাপ্তা, ঘোনাপাড়া, পরানপুর, সুচাইল, তারাইল, পাংখার চর ও চরভাটপাড়া মৌজা জুড়ে মধুমতি বাওরের অবস্থান। সত্তর দশকের শেষের দিকে মধুমতি নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে ১.৫ কিলোমিটার দূরে দুই দিকে দুইটি বাঁকের সৃষ্টি হয়। যার একটি বাঁকের মুখে পলি জমে উজানের মুখটি বন্ধ হয়ে একটি জলাশয়ের সৃষ্টি হয়। আর এই জলাশয়টিই মধুমতি বাওড় নামে পরিচিত।

যা দেখবেন

প্রায় ১৬২ হেক্টর আয়তনের মধুমতি বাওড়টি মৌসুমভেদে ভিন্ন ভিন্ন নব রূপে সেজে উঠে। শুষ্ক মৌসুমে ৬ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এবং ৬০০ ফুট প্রস্থের এই বাঁওড়টি বর্ষাকালে প্রায় ৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ১২০০ ফুট প্রস্থের বাওড়ে পরিণত হয়। মধুমতি বাঁওড়ের উপর নির্মিত বাঁশের সাঁকোর মাধ্যমে রাতইল ইউনিয়ন ও পার্শ্ববর্তী লোহাগড়া উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের প্রায় ১৫টি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করে। এ ছাড়া বিকেল বেলা ডিঙ্গি নৌকা দিয়ে বাঁওড়ে ঘুরে বেড়ানোর জন্য মধুমতি বাওড় স্থানীয়দের কাছে বেশ জনপ্রিয়। আর দেশীয় মাছের অভয়ারণ্য হিসেবেও এই বাওড়ের রয়েছে বিশেষ পরিচিতি।

যেভাবে যাবেন সড়কপথে ঢাকার গাবতলী বা সায়েদাবাদ থেকে পলাশ, ইমাদ, টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস, গোল্ডেন লাইন, গ্রিনলাইন, কমফর্ট, রাজধানী বা বিআরটিসির বাসে সরাসরি গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি উপজেলা পর্যন্ত যাওয়া যায়। কাশিয়ানি থেকে স্থানীয় পরিবহণে পরানপুর হাটের কাছেই মধুমতি বাঁওড়ে যেতে পারবেন।

যেখানে থাকবেন গোপালগঞ্জ শহরে রাত্রিযাপনের জন্য হোটেল মধুমতি, হোটেল রানা, পলাশ গেস্ট হাউজ, হোটেল শিমুল, হোটেল সোহাগ, হোটেল রিফাত ও হোটেল জিমির মতো বেসরকারি আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে।

যেখানে খাবেন কাশিয়ানি উপজেলায় সাধারণ বাঙালি খাবারের বেশ কিছু হোটেল আছে। গোপালগঞ্জ শহরে বাঙালি, চাইনিজ ও ফাস্টফুড খাবার পাওয়া যায়। শহরের বঙ্গবন্ধু রোডের কাছে লেক ভিউ ক্যাফে, ভূতের বাড়ি, বারবিকিউ টুনাইট ও এফএনএফ রেস্টুরেন্ট উল্লেখযোগ্য।

নয়া শতাব্দী/এসএম/এসআর

নয়া শতাব্দী ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আমার এলাকার সংবাদ