মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২৩, ১৭ মাঘ ১৪৩০

বঙ্গভবনে কার পা

প্রকাশনার সময়: ২৫ জানুয়ারি ২০২৩, ০৯:৪৮

আগামী এপ্রিল মাসেই নতুন রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছে বঙ্গভবন। এর আগে ফেব্রুয়ারির মধ্যেই একজনকে রাষ্ট্রপতি পদে চূড়ান্ত করতে হবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারকে। সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী এপ্রিলে।

এ হিসেবে ৯০ দিন আগে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন চূড়ান্ত করতে হবে। এর অংশ হিসেবে আজ বুধবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন।

এর আগে রেওয়াজ মেনে গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে তফসিল ঘোষণার বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল একান্ত বৈঠক শেষ করেছেন।

সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় সংসদ সদস্যদের ভোটে। কিন্তু তফসিল ঘোষণার অনেক আগে থেকেই আওয়ামী লীগের মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে নানারকম আলাপ-আলোচনা, গুঞ্জন চলে আসছে।

রাষ্ট্রপতি পদে আসীন হওয়ার আলোচনায় শুরু এক ডজন ব্যক্তির নাম শোনা গেলেও শেষ মুহূর্তে আলোচনায় রয়েছে মাত্র দু’জনের নাম। একজন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, অন্যজন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিকবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান।

একাধিক সূত্রের দাবি, শেষ মুহূর্তের যোগ-বিয়োগে উলটপালট না হলে শিরীন শারমিন চৌধুরী বা মসিউর রহমানের মধ্যে একজন নির্বাচিত হবেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি; বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের পর তিনিই পা রাখবেন বঙ্গভবনের গালিচায়।

এর বাইরে রাষ্ট্রপতি হওয়ার দৌড়ে আরও যাদের নাম আলোচনায় ছিল তারা হলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক প্রমুখ।

কিন্তু আওয়ামী লীগ শেষ পর্যন্ত দলের বাইরে কাউকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত করবে কিনা সেটি এখন একটি বড় প্রশ্ন।

সূত্র জানায়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্ব মনে করছে, আগামী বছরের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সে সময় একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তির রাষ্ট্রপতি পদে থাকা উচিত। যদিও বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি পদ মূলত অলংকারিক। প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি পদে কাউকে নিয়োগ দেয়ার কাজটি ছাড়া বাকি সব দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তার প্রধানমন্ত্রীর উপদেশ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে হয়। তারপরও নির্বাচনের সময় রাষ্ট্রপতি কিছুটা গুরুত্ব পান। কারণ তিনি নির্বাচন কমিশনের উপযোগিতার সঙ্গে কাজ করা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দিতে পারেন।

নয়া শতাব্দী ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আমার এলাকার সংবাদ