ঢাকা, শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২১ মাঘ ১৪২৯, ১২ রজব ১৪৪৪

সমিতির টাকা নয়ছয়!

প্রকাশনার সময়: ২০ জানুয়ারি ২০২৩, ০৯:১৩ | আপডেট: ২০ জানুয়ারি ২০২৩, ০৯:১৯

রাজস্ব আদায় বাড়ানোর জন্য ১৯৯৬ সালের নভেম্বরে ঢাকা ওয়াসা ও ঢাকা ওয়াসা কর্মচারী বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের মধ্যে চুক্তি সই হয়। চুক্তি অনুযায়ী পিপিআই (প্রোগ্রাম ফর পারফরম্যান্স ইমপ্রুভমেন্ট) কার্যক্রমের আওতায় ঢাকা ওয়াসার বিলিং ও মিটার কার্যক্রম শুরু হয়। উদ্দেশ্য—ঢাকা ওয়াসার স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতার পাশাপাশি সমিতি যেন স্বাবলম্বী হয়। চুক্তি অনুযায়ী সমিতির অনুকূলে কর্মচারীরা বিলিংবাবদ ৬ থেকে ১০ শতাংশ কমিশন পান। কমিশনের ওই টাকা জমা হয় সমিতির নিজস্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্টে। অথচ সেই টাকা নয়-ছয়ের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকা জেলা সমবায় অফিসের নিজস্ব নিরীক্ষা (অডিট) প্রতিবেদনে দুই অর্থবছরে প্রায় ১৭৬ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ মিলেছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানে সমবায় অফিসের নিরীক্ষা দলের দুই বছরের হিসাব পর্যালোচনার পাশাপাশি পাওয়া অন্যান্য নথিপত্রে প্রায় ৩৫৫ কোটি টাকার অসঙ্গতির তথ্য মিলেছে।

ঢাকা ওয়াসা কর্মচারী বহুমুখী সমবায় সমিতির দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অসহযোগিতার কারণে দুর্নীতি ও লুটপাটের প্রকৃত চিত্র নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বের হয়ে আসেনি। তবে বিশাল অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের আরও নমুনা পাওয়ায় বর্তমানে ১০ বছরের হিসাব পর্যালোচনায় বিভাগীয় পর্যায়ে নিরীক্ষা (অডিট) কার্যক্রম চলছে। সব হিসাব পাওয়া গেলে টাকার পরিমাণ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমিতির সিনিয়র সদস্য ও নিরীক্ষা-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্যেও অর্থ নয়-ছয়ের তথ্য উঠে এসেছে। নিরীক্ষা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০১৮-১৯ ও ২০১৯-২০ অর্থবছরে অন্তর্বর্তীকালীন পিপিআই পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান ও কো-চেয়ারম্যান মিঞা মিজানুর রহমানের যৌথ স্বাক্ষরে সমিতির/পিপিআই প্রকল্পের ব্যাংক হিসাব পরিচালিত হয়েছে। ওই সময়ে ঢাকা ওয়াসা থেকে কমিশন হিসাবে পাওয়া ১৩২ কোটি চার লাখ টাকা এবং বিধি-বহির্ভূত ব্যয় হিসাবে প্রায় সাড়ে ৪৪ কোটি টাকার হিসাব পাওয়া যায়নি। অর্থ আত্মসাতের আরও নমুনা পাওয়ায় বর্তমানে ১০ বছরের হিসাব পর্যালোচনায় বিভাগীয় পর্যায়ে চলছে নিরীক্ষা কার্যক্রম।

জানা গেছে, ঢাকা ওয়াসা কর্মচারী বহুমুখী সমবায় সমিতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ওয়াসা থেকে ৯৯ কোটি ৬৫ লাখ ১৯ হাজার ১৭৩ টাকা কমিশন পেলেও সমিতির নিরীক্ষা প্রতিবেদনের হিসাব বিবরণীতে মাত্র এক কোটি ৭৯ লাখ ৫৯ হাজার ৫০৩ টাকা দেখানো হয়। অর্থাৎ নিরীক্ষা দল ৯৭ কোটি ৮৫ লাখ ৫৯ হাজার ৬৭০ টাকা এবং ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ঢাকা ওয়াসা হতে প্রাপ্ত ৩৪ কোটি ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৭৯০ টাকার হদিস পাননি। এ অর্থ কোথায় এবং কীভাবে ব্যয় হয়েছে তার কোনো ব্যাখ্যা ব্যবস্থাপনা কমিটির কাছ থেকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে নিরীক্ষা দলের প্রধান ও ঢাকা জেলা মেট্রোপলিটন থানা সমবায় কর্মকর্তা রেজাউল বারী বলেন, অডিট প্রতিবেদনে ১৩২ কোটি চার লাখ ও ৪৪ কোটি ২১ লাখ টাকা আত্মসাৎ এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি গাড়ি ব্যবহারসহ বেশকিছু অভিযোগ আনা হয়েছে। সমবায় সমিতি আইন ৪৯ এর(১) ও (৫) ধারায় তদন্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। ওই ধারায় সাজা ও জরিমানার বিধান রয়েছে।

সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত এখনও চলমান। ১০ বছরের রেকর্ডপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। তিনি বলেন, ‘আমি মাত্র দুই বছরের অডিট করেছিলাম। ওই সময়ে আক্তারুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন ব্যবস্থাপনা কমিটি দায়িত্বে ছিল। অডিট (নিরীক্ষা) চলাকালীন আমি ব্যবস্থাপনা কমিটির পক্ষ থেকে সহযোগিতা পাইনি। তদন্তের সময় আমরা হাজার কোটি টাকার একটি (পিপিআই ফান্ড) তথ্য পেয়েছি। পুরো ফান্ডের (তহবিল) কী অবস্থা, সে বিষয়ে রেকর্ডপত্র বা অস্তিত্ব খুঁজে পাইনি। এ কারণে অডিট টিম তদন্তের সুপারিশ করেছিল।’

যার বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগের তীর সমিতির সেই দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি ও পিপিআই প্রকল্প পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আক্তারুজ্জামান বলেন, ‘যে সময়ের কথা বলছেন, সেই সময়ে আমি দায়িত্বে ছিলাম। তবে, এর আগেও বিভিন্ন জন দায়িত্বে ছিলেন। এ বিষয়ে এখন আমার বক্তব্য দেয়া সঠিক হবে না। অফিসিয়াল অনুমতি ছাড়া আমি কোনো বক্তব্য দিতে পারব না।’

তেজগাঁও মেট্রোপলিটন থানা সমবায় কর্মকর্তা রেজাউল বারী ও ঢাকা জেলা সমবায় কার্যালয়ের কর্মকর্তা মঞ্জুরুল কবীরের নেতৃত্বাধীন নিরীক্ষা দল প্রতিবেদন তৈরি করে জমা দেন ২০২১ সালের ৩০ জুন। প্রতিবেদনে সমিতির হিসাব ‘নয়-ছয়’ করাসহ ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তির অবৈধ ভোগ-দখলের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ বিষয় নিরীক্ষা কাজে সম্পৃক্ত এবং ওয়াসার এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, ওয়াসার সঙ্গে পিপিআই প্রকল্পের কাজ একটি জোন দিয়ে শুরু। এরপর ছয়টি জোনে পিপিআই প্রকল্পের অধীনে কাজ হয়। মিটার রিডিং ও বিল আদায়ের পর প্রতি মাসে কমিশনবাবদ একটি অংশ (অর্থ) ওয়াসা বহুমুখী সমবায় সমিতির হিসাবে জমা হয়।

এমন ছয়টি ব্যাংক হিসাবের তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই করলে গরমিল পাওয়া যায়। হিসাবগুলো হলো— জনতা ব্যাংক, কারওয়ান বাজার করপোরেট শাখার দুটি হিসাব; প্রিমিয়ার ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক ও ওয়ান ব্যাংকের কারওয়ান বাজার শাখা এবং সাউথ ইস্ট ব্যাংক লিমিটেডের ধানমন্ডি শাখা। বিশাল অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের আরও নমুনা পাওয়ায় বর্তমানে ১০ বছরের হিসাব পর্যালোচনায় বিভাগীয় পর্যায়ে নিরীক্ষা (অডিট) কার্যক্রম চলছে। সব হিসাব পাওয়া গেলে টাকার পরিমাণ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে- মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা

নিরীক্ষা প্রতিবেদনে যা আছে: সমিতির সভাপতি ও পিপিআই প্রকল্প পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে হাফিজ উদ্দিন ও প্রকল্প পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান মিঞা মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের যৌথ স্বাক্ষরে পিপিআই প্রকল্পের সব ব্যাংক হিসাব পরিচালিত হতো। কিন্তু পিপিআই পরিচালনা কমিটির তৎকালীন চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন অসুস্থ থাকায় সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটির ২০১৮ সালের ৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত মোতাবেক সমিতির সদস্য ও ঢাকা ওয়াসার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আক্তারুজ্জামানকে অন্তর্বর্তীকালীন পিপিআই পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়। তাদের যৌথ স্বাক্ষরেই পিপিআই প্রকল্পের ব্যাংক হিসাব পরিচালিত হয়। এ বিষয়ে আক্তারুজ্জামানের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু নিরীক্ষা দলকে কোনো তথ্য দেননি তিনি।

নিরীক্ষার সময় সমিতির নামে থাকা ছয়টি ব্যাংক হিসাবের লেনদেন পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১৬ সালের ১০ মার্চ নির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটি ও ২০২০ সালের ২৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনের আগে দায়িত্বপালনকারী সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটি ব্যাংক লেনদেন করেছে। ওই ব্যাংক হিসাব থেকে ৪৪ কোটি ২১ লাখ ৬৫ হাজার ৪৩ টাকা তোলা হলেও ওই টাকার হিসাব নিরীক্ষার সময় পাওয়া যায়নি। নিরীক্ষা দলের কাছে ওই ব্যবস্থাপনা কমিটি সমুদয় অর্থ আত্মসাৎ করেছে বলে প্রমাণিত হয়েছে। প্রকল্পে ব্যবহূত সমিতির অর্থে কেনা প্রাইভেট কার ও লেগুনাসহ মোট ২৫টি গাড়ির মধ্যে ২৪টি ঢাকা ওয়াসা ২০১৮ সাল থেকে বিধিবহির্ভূতভাবে দখলে নিয়ে ব্যবহার করছে। গাড়িগুলোর মধ্যে একটি টয়োটা প্রাইভেট কার পিপিআই প্রকল্পের চেয়ারম্যান হিসেবে আক্তারুজ্জামান ব্যবহার করছেন। ২০২১ সালের ২৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনের পর বর্তমান ব্যবস্থাপনা কমিটি বারবার তাগাদা দেয়া সত্ত্বেও আক্তারুজ্জামান গাড়িটি হস্তান্তর করেননি।

নিরীক্ষা প্রতিবেদনের সুপারিশে যা আছে: নিরীক্ষাকালে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে সরবরাহ করা সমিতির নামীয় ব্যাংক হিসাববিবরণী এবং ঢাকা ওয়াসার বিভিন্ন তথ্য ও হিসাববিবরণী পর্যালোচনা করে অনিয়ম ও ত্রুটি-বিচ্যুতি দেখা গেছে। যার মধ্যে রয়েছে, সমবায় সমিতি আইন ২০০১ (সংশোধিত, ২০০২ ও ২০১৩) এর ১৭ ধারা অনুযায়ী বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠানের বাধ্য-বাধকতা থাকলেও বিগত ব্যবস্থাপনা কমিটি সমিতির নিয়মিত বার্ষিক সাধারণ সভা করেনি।

বারবার তাগাদা দেয়া সত্ত্বেও বিগত ব্যবস্থাপনা কমিটি তাদের সময়ের হিসাববিবরণীসহ সমিতির অনেক গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ডপত্র অদ্যাবধি সমিতির বর্তমান নির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটির কাছেও বুঝিয়ে দেয়নি। আক্তারুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন ব্যবস্থাপনা কমিটি দায়িত্বপালনের সময় অর্থাৎ সমিতির ২০১৮-১৯ ও ২০১৯-২০ অর্থবছরের আয়-ব্যয়ের হিসাববিবরণী নিরীক্ষা দলের কাছে সরবরাহ করেননি।

অডিট প্রতিবেদনে ১৩২ কোটি চার লাখ ও ৪৪ কোটি ২১ লাখ টাকা আত্মসাৎ এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি গাড়ি ব্যবহারসহ বেশকিছু অভিযোগ আনা হয়েছে। সমবায় সমিতি আইন ৪৯ এর (১) ও (৫) ধারায় তদন্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। ওই ধারায় সাজা ও জরিমানার বিধান রয়েছে। সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত এখনও চলমান। ১০ বছরের রেকর্ডপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে।

নিরীক্ষা প্রতিবেদনে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী তাকসিম এ খানের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ আনা না হলেও সমিতির বেশির ভাগ সদস্যের মতে এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির পেছনের কারিগর ‘এমডি’ সিন্ডিকেট। যে কারণে ২০২২ সালের ২৩ জুন ১৩২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকা ওয়াসার এমডি প্রকৌশলী তাকসিমসহ নয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করে ঢাকা ওয়াসা কর্মচারী বহুমুখী সমবায় সমিতির সম্পাদক শাহাব উদ্দিন সরকার। কিন্তু বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ না করে মামলার আবেদনটি ফেরত দেন আদালত। একই সঙ্গে দুদকের এখতিয়ারভুক্ত হওয়ায় সেখানে দাখিল করার নির্দেশনা দেয়া হয়। যার ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনুসন্ধানে নেমেছে। জানতে ঢাকা ওয়াসার এমডি প্রকৌশলী তাকসিম এ খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সমিতির সম্পাদক শাহাব উদ্দিন এ বিষয়ে বলেন, ‘যাদের নামে অভিযোগ করেছি তারা যে টাকা তুলেছেন, তার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ আছে। বিষয়টি বর্তমানে দুদক অনুসন্ধান করছে।’

অনুসন্ধানে নেমেছে দুদক: ঢাকা ওয়াসা কর্মচারী বহুমুখী সমবায় সমিতির ১৩২ কোটি চার লাখ ১৭ হাজার ৪৬০ টাকা ছয়টি ব্যাংক হিসাব থেকে বিভিন্ন চেকের মাধ্যমে ওয়াসার এমডি তাকসিম এ খানের প্রত্যক্ষ মদদ ও নির্দেশে তুলে আত্মসাৎ করা হয়েছে—এমন অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা দুদক।

ভিন্ন ভিন্ন দল এ বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে। বর্তমানে অনুসন্ধানের দায়িত্ব পালন করছেন উপ-পরিচালক আকতার হামিদ ভূঁইয়া ও সহকারী পরিচালক আশিকুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত দল। দুদক কমিশনার (অনুসন্ধান) মোজাম্মেল হক খান বলেন, ‘দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়িত্ব স্বল্পতম সময়ে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা। কোনো কোনো ক্ষেত্রে আমরা নির্ধারিত ও কাঙ্ক্ষিত সময়ে তদন্ত শেষ করতে পারি না। আমাদের কাজ চলমান, আমরা কাউকে ছাড় দেব না।’

নয়াশতাব্দী/এফআই
নয়া শতাব্দী ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আমার এলাকার সংবাদ